‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…’ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ভারত ও শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীত হিসেবেও তার গান বেছে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত নিয়ে দীর্ঘদিন
‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…’ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ভারত ও শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীত হিসেবেও তার গান বেছে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত নিয়ে দীর্ঘদিন
ইবনে সিনা, জ্ঞানের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তার নাম নেই। তবে একজন চিকিৎসাবিদ হিসেবে তিনি বেশি পরিচিত। দর্শন, জ্যোতির্বিদ্যার ওপর তার দখল অবাক করার মতো। তাকে বলা হয় আধুনিক
‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। কেবল বাংলাদেশ নয়, ভারত ও শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীতও নেওয়া হয়েছে তার লেখা থেকে। অন্য দুই দেশের সংগীত
জেরুজালেম বিজয়ী সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ুবি। যার জীবনের সবটা একসাথে করলে দাঁড়িয়ে যায় রোমাঞ্চকর গল্প। একদিকে তিনি লড়াই করেছেন ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে সামাল দিয়েছেন নিজ ধর্মের ষড়যন্ত্রকারীদের। তারপর তৈরি করেছেন মুসলমানদের
রাত এগারোটা বা বারোটার পর গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। জরুরি প্রয়োজনে ডাকাডাকি করেও নিজের ভাড়া করা বাড়িতে ঢুকতে পারছেন না অনেক ভাড়াটিয়া। রাজধানী ঢাকায় যারা থাকেন, এই দুর্ভোগ তাদের
আঠারো শতাব্দীর মাঝামাঝি এক ইসলামী চিন্তাবিদ ব্যাপকভাবে শিরকের বিরোধিতা করতে থাকেন। মসজিদ সাজানো, পীর-পূজা, মাজারে মাথানত করার বিরোধিতা করেন তিনি। এমনকি ধুমপানকে নিষিদ্ধ করার দাবিও করেন ওই নেতা। সব ধরনের
জানুয়ারি ১৯৭৮। ইরানের নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে অপমান করে দেশটির জাতীয় পত্রিকায় আর্টিকেল ছাপা হয়। এতে সাধারণ জনগণ ক্ষেপে যায়। তাদের ধর্মীয় নেতার নৈতিকতার ওপর এমন অপমান তারা মেনে নেয়নি। দেশজুড়ে
ইনফোজা স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল শুধু ২২ জন খেলোয়াড়ের মাঠের লড়াই নয়; এটি কখনো কখনো জীবনসংগ্রাম, টিকে থাকা এবং সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে স্বপ্নের চূড়ায় পৌঁছানোর এক জীবন্ত দলিল। অস্ট্রেলিয়া জাতীয়
ফিলিস্তিনেও এক ‘পেলে’ ছিলেন। খেলতেন ব্রাজিলের কালো মানিক পেলের মতোই। তার নাম ছিলো সুলেইমান আল-ওবেইদ। ২০২৫ সালের আগস্টে ইসরাইলের আক্রমণে শহীদ হন ওবেইদ। তিনি দাঁড়িয়েছিলেন ত্রাণের লাইনে। আল-ওবেইদ জন্মেছিলেন ১৯৮৪
পাহাড়টি আদতে যুদ্ধের পাহাড়। তবে স্থানীয়রা ডাকেন ‘বুনো গোলাপের ভূমি’। কারাকোরাম পর্বতমালায় সিয়াচেন হিমবাহ। ২০১৫ সালের মে মাসে এখানে হয়েছিলো পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্রের লড়াই, ড্রোনের লড়াই। এরপর যুদ্ধবিরতি হয়। কিন্তু সিয়াচেনের






