জীবনের চেয়ে দৃপ্ত মৃত্যু তখনই জানি / শহীদি রক্ত হেসে ওঠে যবে জিন্দেগানি“ — কবি ফররুখ আহমদের এই অমর পঙক্তি যেন প্রতিদিন বাস্তব রূপ নিচ্ছে ইরানে। ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকার
জীবনের চেয়ে দৃপ্ত মৃত্যু তখনই জানি / শহীদি রক্ত হেসে ওঠে যবে জিন্দেগানি“ — কবি ফররুখ আহমদের এই অমর পঙক্তি যেন প্রতিদিন বাস্তব রূপ নিচ্ছে ইরানে। ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকার
আনন্দে টইটম্বুর এক মাঠ। এক মাস রোজা রাখার পর সমবেত হন মুসল্লিরা। এখানে কয়েক লাখ মুসল্লি একসঙ্গে আদায় করেন ঈদের নামাজ। এদের কেউ স্থানীয়, কেউ আসেন দূর থেকে। মাঠের নাম
২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর। আকাশ ছিলো পরিষ্কার, বাতাসও শান্ত- স্কাইডাইভিংয়ের জন্য একেবারে আদর্শ দিন। আমেরিকার ভার্জিনিয়া বিচের এক নবীন স্কাইডাইভার জর্ডান হ্যাটমেকার। তিনি মাত্র ১৪ বার ডাইভ দিয়েছেন। এখনো লাইসেন্স
ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু শব্দ কেবল স্লোগান নয়, যুগের চেতনা ও সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে। “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” তেমনই এক উচ্চারণ—যার ভেতরে আছে বিপ্লবের স্বপ্ন, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, আবার
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্রের দরজা খুলে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁকে হত্যার পর অনিশ্চিত দিকে যাত্রা করে গণতন্ত্র। পরে গণতন্ত্রের জন্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া। আর ফ্যাসিবাদের
চীন দেশ থেকে ভেসে আসা এক গভীর দুঃখের নাম উইঘুর। সরকারের নৃশংসতা ও পীড়নের মুখেও হারিয়ে যায়নি উইঘুর মুসলিমরা। এরা টিকে আছে নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয় ঠিক রেখেই। উইঘুর সংস্কৃতি
নাসার এক কর্মশালায় গিয়েছিলেন ভারতের রকেট বিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালাম। সেখানকার দেয়ালে টানানো একটি ছবি দেখে চমকে উঠেন তিনি। ছবিটি রকেট হামলার। একদল সেনা রকেট ছুঁড়ে মারছে। আর
শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ নতুন বাংলাদেশের পেছনে ছিলো সংগ্রামের ইতিহাস। আর এই সংগ্রামের পেছনে ছিলো আপোষ না করা নেত্রীর আখ্যান।তিনি খালেদা জিয়া, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী।শেষবার খালেদা জিয়ার
রাজধানীর মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে আগুন লাগে মঙ্গলবার। পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে বস্তির হাজারখানেক ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার কড়াইল বস্তির ক্ষয়ক্ষতি পুরো চিত্র
আলিফ লায়েলার সেই বাগদাদ। খলিফা হারুন অর রশিদের সময় ছিলো আরব্য রজনীর গল্পের মতোই। এই খলিফাকে বলা হয় স্বর্ণযুগের সম্রাট। তিনি ছিলেন ধার্মিক, ন্যায়পরায়ণ। ছিলেন জ্ঞান ও বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক। আলিফ