শরৎ বাবুর চুল পেকেছেগোঁফগুলো তার full পেকেছে চুলগুলো তার মেঘ হয়েছেওড়ার বুঝি বেগ হয়েছেফুলছে হাওয়ায় হাওয়ায়। গোঁফগুলো তার কাশের বনেবিকেলবেলায় সংগোপনেদুলছে হাওয়ায় হাওয়ায়। কাশের বনে আকাশ নীলেহাওর নদী বাঁওড় বিলেবকের
শরৎ বাবুর চুল পেকেছেগোঁফগুলো তার full পেকেছে চুলগুলো তার মেঘ হয়েছেওড়ার বুঝি বেগ হয়েছেফুলছে হাওয়ায় হাওয়ায়। গোঁফগুলো তার কাশের বনেবিকেলবেলায় সংগোপনেদুলছে হাওয়ায় হাওয়ায়। কাশের বনে আকাশ নীলেহাওর নদী বাঁওড় বিলেবকের
বিড়াল তোমার প্রিয়?তাকে আদর দিও। পুসি বিড়াল খুশি হবেমাছ-মাংস পেলেকাঁটা ওদের গলায় বিঁধেউচ্ছিষ্ট খেলে। খেলনা দিও পায়ের কাছেখুশি হবে দেখো পাছে। নিরাপদ ও আরামদায়কজায়গা দিও তাকেজানো না সে র্যাট ধরতেতক্কে
পিতা ছিলেন ঘোষক ঠিকইপুত্র কোনো ঘোষক নালেপ তো লেপই, পুরু হলেওলেপ তো কোনো তোষক না। তবে এটাও বলছি আমিপুত্র কোনো শোষক নাআমার মতে তিনি নিজেওভুল ইতিহাস পোষক না।
অগাস্ট এলেই আনন্দ-ঢেউ মনেসুখের আবেশ জাগে ক্ষণে ক্ষণে। অগাস্ট মানেই স্বাধীনতার মাসসব শহরে বিজয়ের উল্লাস। পঁচাত্তরে স্বৈরাচারীর পিতা—খতম হলো, তাধিন ধিতা ধিতা। চব্বিশ সালে তরুণেরা জাগেগাট্টি নিয়ে শেখ হাসিনা ভাগে।
জুলাই জুড়ে দ্রোহছাড়ল সবাই মোহ ফুল, পাখি আর লতাআনবে স্বাধীনতা রক্তজবার লালেহৃদয়টা মাখালে উঠল বুকে ঝড়বলল, গুলি কর অগাস্ট এল শেষেরক্তসাগর ভেসে পাঁচ তারিখে সুখআনন্দ উৎসুক।
অগাস্ট মানে বিজয়ী মাসবিপ্লবীদের পুণ্য সময়স্বৈরশাসক মুজিব এবংতার কন্যার ক্ষুণ্ন সময়।অগাস্ট মানে দ্রোহের আগুনফ্যাসিবাদের পতন সময়উল্টে গেল তাদের গদিআনন্দ-সুখ মতন সময়।অগাস্ট মানে হেলিকপ্টারখিড়কি দিয়ে জালিম পালায়মুজিববাদের চেলা-চামুণ্ডডুবে গেল ডোবায়-নালায়।অগাস্ট মানে
আল মাহমুদের ‘ঊনসত্তরের ছড়া’ অবলম্বনে ট্রাক! ট্রাক! ট্রাক!হবিগঞ্জে ট্রাক পড়েছেখবর শুনে রাখ।কেনো শুনব খবর-টবর,গুনব কেনো মিল? নাহিদ গেছে মিছিল নিয়ে,ফিরবে সে মিছিল। ট্রাক! ট্রাক! ট্রাক!ট্রাকের চাকা ঘুরিয়ে দিতে আবু সাঈদ
দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার প্রতি সংহতি জানায়া হিন্দুস্তানিতে (হিন্দি/উর্দুতে) এই কবিতা ইয়ে বাগাওয়াত কি শেহের হ্যায় ফির ও ইতিহাস দিখায়েংগেহাম তারিখ কে উসুল পার তুম কো ভি ওহি সাবাক শিখায়েংগে।হাম
শুনতে পেলাম দুপ্পুরেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেআরিচা ঘাট পার কইরাপাঠাই দিবো রূপপুরে! এইটা শুইনা কানে কানেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেকি জানি কি শলা দিছেতাহার পিসি-ফুপ্পুরে! এরই মাঝে খানসামারারাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেস্যুপ দিলে তা খেতে উল্টাজিভের তাপে স্যুপ পুড়ে!
দিল্লিতে ককরোচযন্তর মন্তরথরথর ভয়ে কাঁপেমোদিজির অন্তর। টিয়ারের শেল মারেঝাঁঝালো কী ধূম্র!লাঠি হাতে পুলিশেরাপট্টাশ কুমড়ো। ইনকিলাবের স্বরছড়ালো কি ছোঁয়াচে?জোয়ারটা থামাবেইকার বলো জো আছে। তিলচটা পোলাপানকী দারুণ রাগছে!ভারতেও তবে কি গোফ্যাসিবাদ ভাগছে?