বাঘ জঙ্গলে কাক জঙ্গলেশিয়াল মামার ডাক জঙ্গলে।হাতির শুঁড়ে গরম চাফুল ফুটেছে করমচা। বাঘের পায়ের ছাপেপাতারা সব কাঁপেবৃষ্টি হলে দৌড়ে পালায়ঘরে গিয়ে আগুন জ্বালায়
ছোটদের পাতা
বাঘ জঙ্গলে কাক জঙ্গলেশিয়াল মামার ডাক জঙ্গলে।হাতির শুঁড়ে গরম চাফুল ফুটেছে করমচা। বাঘের পায়ের ছাপেপাতারা সব কাঁপেবৃষ্টি হলে দৌড়ে পালায়ঘরে গিয়ে আগুন জ্বালায়
চাঁদমামা মামা কারগায়ে লাল জামা কারজামা পরে খুকিলাল টুকটুকি। টুকটুকি হাঁটেমুখে ছড়া কাটেছড়া শুনে মামা হাসেখুকিটাকে ভালোবাসে।
চাঁদ মামা টিপ দেয়হেয়ারের ক্লিপ দেয়।আর দেয় কী কী? জোছনার আলো দেয়মন্দ না ভালো দেয়খুব ঝিকিমিকি। চাঁদ মামা গোলগালদুধমাখা যেন তাললোভ লাগে খেতে রাত হলে নিঝ্ঝুমআমার তো পায় ঘুমচাই চাঁদ
একটা হাতি খোকার মাথায় চড়লএকটু পরেই ধপাস করে পড়ল।পড়ে গিয়েই ভাঙল হাতির ঘাড়টাপা-ও ভাঙল এক এক করে চারটা। বলছি, সঠিক, মিথ্যে নয় একরত্তিখোকার মাথায় হাতি ছিল সত্যি!কাঁদল খোকা, কাঁদল সাথে
শরৎ বাবুর চুল পেকেছেগোঁফগুলো তার full পেকেছে চুলগুলো তার মেঘ হয়েছেওড়ার বুঝি বেগ হয়েছেফুলছে হাওয়ায় হাওয়ায়। গোঁফগুলো তার কাশের বনেবিকেলবেলায় সংগোপনেদুলছে হাওয়ায় হাওয়ায়। কাশের বনে আকাশ নীলেহাওর নদী বাঁওড় বিলেবকের
বিড়াল তোমার প্রিয়?তাকে আদর দিও। পুসি বিড়াল খুশি হবেমাছ-মাংস পেলেকাঁটা ওদের গলায় বিঁধেউচ্ছিষ্ট খেলে। খেলনা দিও পায়ের কাছেখুশি হবে দেখো পাছে। নিরাপদ ও আরামদায়কজায়গা দিও তাকেজানো না সে র্যাট ধরতেতক্কে
আষাঢ়ের মেঘ দেখোভাসে ওই আকাশেবৃষ্টির সংবাদেজলরঙে আঁকা সে। মাঝে মাঝে রোদ ওঠেপ্রকৃতির ছন্দেরুশদার মন তাতেপড়ে যায় দ্বন্দ্বে। গাছপালা ভিজে যায়পশুপাখি সিক্তবৃষ্টিটা বেশি হলেহয় তারা তিক্ত। ডালে ডালে পাকা জামকাঁঠালের সৌরভবনজুড়ে
হ্যালো বন্ধুরা! তোমরা কেমন আছো? আচ্ছা, তোমাদের কাছে কি এমন কোনো বাকসো আছে, যাতে একটা চকোলেট রাখলে একশোটা হয়ে বেরিয়ে আসে? নেই তো? কিন্তু জানো, একবার এক কাঠুরিয়া ঠিক এইরকম
এক ছিল ছোট্ট বানর, তার নাম বানুই। বানুই ছিল খুব দুষ্টু, সবসময় মজা করতে ভালোবাসতো। বনের সবার সঙ্গে দুষ্টুমি করতো- কখনো পাখির বাসায় দোল দিয়ে পালিয়ে যেতো। খরগোশের যখন গাজর
শুনো একটা মজার গল্প বলি।ওইদিন বাবার বন্ধুদের একটা জমকালো অনুষ্ঠান ছিলো।আবার ওইদিন রাইয়ানরা আমাদের গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা। আমাকেও যেতে বলেছিলো।রাইয়ান আমার কাকা হয়। কিন্তু বয়সে আমার চাইতেও ছোট। পিচ্চি






