পৃথিবীর এমন কিছু দেশ আছে যেখানে কোরবানির নিয়ম জানলে আপনি চমকে উঠবেন! কোথাও গরুকে পরানো হয় মেকআপ, কোথাও আবার উটের নাচ দেখানো হয়, তারপর বিক্রি করা হয়!

শুরুতেই যাওয়া যাক ইন্দোনেশিয়ায়। সেখানকার কিছু অঞ্চলে কোরবানির গরুকে সাধারণ কোনো পশু মনে করা হয় না, রীতিমতো রাজকীয় অতিথি বানানো হয়! জবাইয়ের আগের দিন গরুকে গোসল করানো হয়, গায়ে মাখা হয় সুগন্ধি। গলায় দেওয়া হয় ফুলের মালা। কপালে বিশেষ কাপড় বেঁধে সাজানো হয়। কিছু এলাকায় তো গরুর চোখে কাজল বা লিপস্টিকের মতো রঙও মাখিয়ে দেওয়া হয়! এরপর পুরো গ্রাম ঘুরে গরু নিয়ে প্যারেড করা হয়।
এবার আসি তুরস্কে। সেখানে ছাগল বা ভেড়ার পাশাপাশি উট কোরবানির দারুণ প্রচলন আছে। তবে সেখানে পশুর হাটে গিয়ে দরদাম করার চেয়ে এখন অনলাইন বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কোরবানি দেওয়া অনেক জনপ্রিয়। আপনি অ্যাপে টাকা পে করবেন, আপনার নামে কোরবানি হয়ে মাংস সরাসরি গরিবদের ঘরে প্যাকেটজাত হয়ে পৌঁছে যাবে।
পাকিস্তানের করাচি বা লাহোরের পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা আকর্ষণ করার জন্য ব্যাপারীরা উটকে ঢাকের তালে তালে নাচিয়ে দেখায়! উটের এই নাচ দেখতেই হাটে হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে। পাকিস্তানের উত্তর অংশের পাহাড়ি উপজাতিরা কোরবানির বেছে নেয় পাহাড়ি ছাগল। এই ছাগলগুলো সাধারণ হাটে দেখাই যায় না।
ঈদের আগে মিশরের কায়রো বা আলেকজান্দ্রিয়ায় গেলে মনে হবে আপনি কোনো রঙের উৎসবে এসেছেন। সেখানে কোরবানির ছাগল এবং ভেড়ার পশমে নীল, লাল, কিংবা গোলাপি ভেষজ রঙ মেখে দেওয়া হয়। – ইনফোজা ডেস্ক
উপস্থাপনা: রিফাত ইসলাম
প্রযোজনা: সজল ফকির