আপনি কি ভাবছেন আপনার ঘরের কথা ঘরের ভেতরেই আছে? আপনার পকেটে বা বালিশের পাশে রাখা ফোনটি কি এখন সাইলেন্ট? সাবধান! হতে পারে এই ফোনটিই আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু। আপনার অজান্তেই
আপনি কি ভাবছেন আপনার ঘরের কথা ঘরের ভেতরেই আছে? আপনার পকেটে বা বালিশের পাশে রাখা ফোনটি কি এখন সাইলেন্ট? সাবধান! হতে পারে এই ফোনটিই আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু। আপনার অজান্তেই
আচ্ছা, শেষ কবে মোবাইল ফোনে কোনো নোটিফিকেশন ছাড়া টানা এক ঘণ্টা কাটিয়েছেন? অথবা শেষ কবে শুধু এক কাপ চা হাতে নিয়ে চুপচাপ জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিলেন, হাতে ফোন ছিলো না?
আরব্য রজনীর বুদ্ধিমতী মর্জিনা কি কেবলই গল্পের চরিত্র? নাকি আমাদের চারপাশের সেই মানুষগুলোই আজকের মর্জিনা, যারা ভোরের আলো ফোটার আগেই শহরের জঞ্জাল সরাতে রাস্তায় নামে? অথচ বিনিময়ে তারা পায় অবজ্ঞা
জীবনের চেয়ে দৃপ্ত মৃত্যু তখনই জানি / শহীদি রক্ত হেসে ওঠে যবে জিন্দেগানি“ — কবি ফররুখ আহমদের এই অমর পঙক্তি যেন প্রতিদিন বাস্তব রূপ নিচ্ছে ইরানে। ইহুদিবাদী ইসরাইল ও আমেরিকার
আনন্দে টইটম্বুর এক মাঠ। এক মাস রোজা রাখার পর সমবেত হন মুসল্লিরা। এখানে কয়েক লাখ মুসল্লি একসঙ্গে আদায় করেন ঈদের নামাজ। এদের কেউ স্থানীয়, কেউ আসেন দূর থেকে। মাঠের নাম
২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর। আকাশ ছিলো পরিষ্কার, বাতাসও শান্ত- স্কাইডাইভিংয়ের জন্য একেবারে আদর্শ দিন। আমেরিকার ভার্জিনিয়া বিচের এক নবীন স্কাইডাইভার জর্ডান হ্যাটমেকার। তিনি মাত্র ১৪ বার ডাইভ দিয়েছেন। এখনো লাইসেন্স
ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু শব্দ কেবল স্লোগান নয়, যুগের চেতনা ও সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে। “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” তেমনই এক উচ্চারণ—যার ভেতরে আছে বিপ্লবের স্বপ্ন, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, আবার
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্রের দরজা খুলে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁকে হত্যার পর অনিশ্চিত দিকে যাত্রা করে গণতন্ত্র। পরে গণতন্ত্রের জন্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া। আর ফ্যাসিবাদের
চীন দেশ থেকে ভেসে আসা এক গভীর দুঃখের নাম উইঘুর। সরকারের নৃশংসতা ও পীড়নের মুখেও হারিয়ে যায়নি উইঘুর মুসলিমরা। এরা টিকে আছে নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয় ঠিক রেখেই। উইঘুর সংস্কৃতি
নাসার এক কর্মশালায় গিয়েছিলেন ভারতের রকেট বিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালাম। সেখানকার দেয়ালে টানানো একটি ছবি দেখে চমকে উঠেন তিনি। ছবিটি রকেট হামলার। একদল সেনা রকেট ছুঁড়ে মারছে। আর