মিডিয়ার ব্যবসা আর দশটা ব্যবসার মতো নয়। এখানের কাজের ধরন ভিন্ন। আর চরিত্র তো একেবারেই আলাদা। সাংবাদিকরাই মিডিয়ার প্রাণ। তারাই প্রধান চরিত্র। মূল ভার্ব। বাকিরা অক্সিলারি। এই বিষয়টি যে মালিকরা
মিডিয়ার ব্যবসা আর দশটা ব্যবসার মতো নয়। এখানের কাজের ধরন ভিন্ন। আর চরিত্র তো একেবারেই আলাদা। সাংবাদিকরাই মিডিয়ার প্রাণ। তারাই প্রধান চরিত্র। মূল ভার্ব। বাকিরা অক্সিলারি। এই বিষয়টি যে মালিকরা
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ মিত্রদের বৈধতা দেয় এবং বিরোধীদের অবৈধ ঘোষণা করে। এই শব্দগুলো কৌশলে ব্যবহার করা হয় গণমাধ্যমে। এই কৌশল কাজে লাগানো হয় জনমত গঠনে। গণমাধ্যমের ভাষাও
একটা সময় ছিল, একটি সংবাদপত্র অন্য সংবাদপত্রের কোনো সমালোচনা করত না। এর পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে বলা হলো- ‘কাকের গোশত কাকে খায় না’। বর্তমানে সেই অবস্থাটি আর নেই। এক পত্রিকা
আলাপ হচ্ছে ‘প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ নিয়ে। শরিফ ওসমান হাদি শহীদ হওয়ার পর এই আলাপ নতুন করে উঠে এসেছে। প্রভাবশালী এই দু’টি পত্রিকা অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে। কারা আগুন
শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে আলাপ যখন চলছিলো, তখন তিনি মহান আল্লাহর কাছে চলে গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিওন। ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার আগে তৈরি করা আলাপটুকু নিচে দেওয়া
শেখ হাসিনাযুগে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ছিলো না। বন্ধ করে দেওয়া হয় কয়েকটি গণমাধ্যম। টিকে থাকার হুমকিতে ছিলো দেশের প্রথম সারির দৈনিক নয়া দিগন্ত। ওইসময় টিকে থাকার গল্প ও সাংবাদিকতার নানা দিক
খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলায় আমন খেতে মাজরা পোকার আক্রমণ হয়েছে, ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে- এই খবর আমরা পত্রিকার মাধ্যমে সহজেই পেয়ে যাই। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে- এই খবরটি
সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, দৈনিক নয়া দিগন্ত সম্পাদক। তাঁর বিশেষ সাক্ষাৎকার নিয়েছে ইনফোজা। এতে তিনি জানিয়েছেন নিজের অভিজ্ঞতা। উঠে এসেছে রাজনীতি ও সাংবাদিকতার জটিল বাস্তবতা। ইনফোজার পক্ষ থেকে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন শরিফুল
গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিজেসির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি গণমাধ্যম সংস্কার নিয়ে কথা বলেন।নুর বলেন, জাতীয়
হুমায়ুন সাদেক চৌধুরী সংবাদপত্রের দায়িত্বশীলতা নিয়ে নানা মন্তব্য এবং দায়িত্বশীল হবার নসিহত সময়ে-সময়ে আমাদের নেতানেত্রীরা করে থাকেন। ‘দায়িত্বহীন’