মার্শাল আর্ট বা কুং ফু-কারাতের ময়দানে একটা দারুণ কৌশল আছে। একজন দক্ষ যোদ্ধা কখনোই তেড়ে আসা শত্রুর শক্তির সাথে নিজের শক্তির টক্কর দিতে যান না, বরং শত্রুর গায়ের জোরকেই তার
মার্শাল আর্ট বা কুং ফু-কারাতের ময়দানে একটা দারুণ কৌশল আছে। একজন দক্ষ যোদ্ধা কখনোই তেড়ে আসা শত্রুর শক্তির সাথে নিজের শক্তির টক্কর দিতে যান না, বরং শত্রুর গায়ের জোরকেই তার
দক্ষিণ লেবাননের পাহাড়ি উপত্যকায় এখন এক অদ্ভুত লড়াই চলছে। একদিকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে ঠাসা মার্কিন মদতপুষ্ট ইসরাইল সেনাবাহিনী, আর অন্যদিকে হিজবুল্লাহর লড়াকু বাহিনী। কিন্তু এই লড়াইয়ে হিজবুল্লাহ এমন এক চাল চেলেছে,
আপনি কি ভাবছেন আপনার ঘরের কথা ঘরের ভেতরেই আছে? আপনার পকেটে বা বালিশের পাশে রাখা ফোনটি কি এখন সাইলেন্ট? সাবধান! হতে পারে এই ফোনটিই আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু। আপনার অজান্তেই
প্রতিদিনের জীবনজুড়ে আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে রাতের খাবারের টেবিলের আড্ডা, সবখানেই এর বিচরণ। অতীতের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনগুলোর সাথে এআই-এর পার্থক্য কোথায়? এই উন্নত সিস্টেমগুলো এমন সব
ইরানের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার মাশুল দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আর সেই অংকটা এখন রীতিমতো আকাশছোঁয়া। রুশ বার্তা সংস্থা রিয়া নভোস্তি এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে জানিয়েছে, ইরানের সাথে এই রেষারেষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কিশোরের ছুরির আঘাতে ওয়াহিদুল ইসলাম ওরফে কেলিস (৩৫) নামের যুবক নিহত হয়েছেন। আঘাতকারী বিশ বছর বয়সি নুর মোহাম্মদ কিশোর গ্যাং সদস্য। তাকে আটক করেছে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। শনিবার
সুকুমার রায়ের ‘হ য ব র ল’-এ কাক্কেশ্বর কুচকুচে স্লেট-পেন্সিল নিয়ে অঙ্ক কষতে বসে বলেছিল— “সাত দুগুণে চোদ্দোর নামল চার, হাতে রইল পেন্সিল!” ইরান বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধের
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আন্তব্যাংক বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ এপ্রিল প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২২
ইসরাইলের দম্ভ মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে হিজবুল্লাহর ছোট ছোট ড্রোন। তেল আবিব এতদিন তাদের অ্যারো মিসাইল সিস্টেম আর এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান নিয়ে যে আস্ফালন করত, লেবানন সীমান্তের লড়াইয়ে তা এখন স্রেফ
আচ্ছা, শেষ কবে মোবাইল ফোনে কোনো নোটিফিকেশন ছাড়া টানা এক ঘণ্টা কাটিয়েছেন? অথবা শেষ কবে শুধু এক কাপ চা হাতে নিয়ে চুপচাপ জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিলেন, হাতে ফোন ছিলো না?