গাজাকে আড়াল করে রাখতে পারেনি ফিফা

বিশ্বকাপে যে দলগুলো খেলছে, তাদের তালিকায় ফিলিস্তিন নেই। তারপরও বিশ্বকাপ কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে ফিলিস্তিন। মিডলইস্ট মনিটরে প্রকাশ হওয়া সাইয়িদ মার্কোস তেনোরিওর বিশ্লেষণ অবলম্বনে পড়ুন ইনফোজা প্রতিবেদন

মূল প্রতিযোগিতায় ফিলিস্তিন নেই, তবে বিশ্বকাপে তাদের উপস্থিতি কোনো পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা যায় না। ছবি: সামাহ জিদান, আনাদোলু

বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি ফিলিস্তিন জাতীয় ফুটবল দল। তারপরও বিশ্বকাপে আলোচনায় আছে ফিলিস্তিন। স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দেখা যাচ্ছে ফিলিস্তিনের পতাকা, গাজার প্রতি সংহতি। আয়োজক শহরের খোলা মাঠে শুনা গেছে ফিলিস্তিনের স্লোগান।

এবারই প্রথম এমন হচ্ছে, সেটা নয়। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও ফিলিস্তিনের পতাকা দেখা গেছে। সে সময় অনেক বিশ্লেষকই মনে করেছিলেন, খেলাটি আরব দেশে হওয়ায় এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে ২০২৬ সালের টুর্নামেন্ট সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর স্টেডিয়ামগুলোতে এই ধরনের বিক্ষোভ ও সংহতি প্রমাণ করেছে, ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন কোনো আঞ্চলিক গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। এটি বৈশ্বিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে রাজনৈতিক, সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে লাখ লাখ মানুষ ফিলিস্তিনকে মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার এবং অধিকারের প্রতীক হিসেবে দেখছে।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফিফার দ্বিমুখী নীতিকেও মুখোশহীন করে দিয়েছে। একদিকে ইরানকে তীব্র কড়াকড়ির মধ্যে অংশ নিতে হয়েছে। অন্যদিকে গাজার ধ্বংস এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অভিযোগ নিয়ে নীরব থেকেছে ফিফা।

মূল প্রতিযোগিতায় ফিলিস্তিন নেই, তবে বিশ্বকাপে তাদের উপস্থিতি কোনো পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা যায় না। সারা বিশ্বে জনমত গঠনে ইতোমধ্যেই জয় পেয়ে গেছে ফিলিস্তিন।

0 Votes: 0 Upvotes, 0 Downvotes (0 Points)

Leave a reply

    Join Us
    • Facebook
    • Youtube
    Deal Of The Month
      Categories

      Advertisement

      Loading Next Post...
      Follow
      Search Trending
      Popular Now
      Loading

      Signing-in 3 seconds...

      Signing-up 3 seconds...