দুইটা চিংড়িভূত দেখা গেছে!

গবেষণামিউঁ5 months ago86 Views

বাচ্চারা,

চিংড়ি খাওয়ার আগে একটু সাবধান থেকো। এখন কিন্তু চিংড়ির ঝাঁকের ভেতর ভূত পাওয়া যাচ্ছে।

ওরা সাধারণ চিংড়ির মতোই। কিন্তু দেখতে ভুতুড়ে।

কয়েকদিন আগে দেখা গেছে দুইটা চিংড়িভূত। একটার নাম জ্যাকি, অন্যটা নেপচুন।

জ্যাকির শরীরভর্তি ভুতুরে রঙ- কমলা, কালো আর হলুদ। শরীরের জয়েন্টগুলোতে ছোপ-ছোপ লেগে আছে নীল।

গত অক্টোবর মাসের ৯ তারিখে জ্যাকিকে খুঁজে পেয়েছে নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির মেরিন সায়েন্স সেন্টার। এই ইউনিভার্সিটি আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস রাজ্যে। এর মেরিন সায়েন্স সেন্টারের সমন্বয়কারী সিয়েরা মুনোজ জানিয়েছেন, জ্যাকি ছেলে নয়, মেয়ে-চিংড়ি। ৩০ মিলিয়ন চিংড়ির মধ্যে মাত্র একটা চিংড়ি দেখতে এমন ভুতুড়ে হয়।

জ্যাকিকে প্রথম ধরে এনেছিলেন চিংড়িজেলে মাইক টাফ্টস।

চিংড়িভূত নেপচুনও কিন্তু এখন থাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে। নেপচুনকে ধরে আনা হয়েছিলো এবছরের শুরুতে। দুই মিলিয়ন চিংড়ির মধ্য থেকে একটা চিংড়ি দেখতে নেপচুনের মতো ভুতুড়ে হয়।

জ্যাকি এবং নেপচুন হলো গলদা চিংড়ি। গলদা চিংড়িরা সাগরে থাকে। সাগরতলের অন্য প্রাণীদের সাথে বসত করে। এদের শরীরের খোলস থেকেই ভুতুড়ে রঙগুলো ছড়ায়। নেপচুনের শরীরের নীল রঙ বেশি। এর খোলস ঝকঝকে নীল। আর জ্যাকির শরীরের রঙগুলোও চকচক করে। এতে শিকারিরা খুব সহজে ধরে ফেলে এদের। আর এ কারণেই জ্যাকি-নেপচুনেরা বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারে না।

শিকারিদের থেকে পালিয়ে থাকতে পারলে এই চিংড়িভূতেরা বাঁচতে পারে একশোবছর।

জ্যাকি, এবং নেপচুন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে এখন আরামেই আছে। তবে তাদের মতো আরো ভূত যারা সাগরে থাকে, তারাও একশোবছর বেঁচে থাকুক। নাকি বলো?

আর শুনো, ওরা ভূত হলেও কিন্তু ভালো। একদম ভয়ের কিছু নেই।

উপস্থাপনা: শাহ ওবায়েদ নেহান

0 Votes: 0 Upvotes, 0 Downvotes (0 Points)

Leave a reply

Loading Next Post...
Follow
Search Trending
Popular Now
Loading

Signing-in 3 seconds...

Signing-up 3 seconds...