আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ মিত্রদের বৈধতা দেয় এবং বিরোধীদের অবৈধ ঘোষণা করে। এই শব্দগুলো কৌশলে ব্যবহার করা হয় গণমাধ্যমে। এই কৌশল কাজে লাগানো হয় জনমত গঠনে। গণমাধ্যমের ভাষাও
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ মিত্রদের বৈধতা দেয় এবং বিরোধীদের অবৈধ ঘোষণা করে। এই শব্দগুলো কৌশলে ব্যবহার করা হয় গণমাধ্যমে। এই কৌশল কাজে লাগানো হয় জনমত গঠনে। গণমাধ্যমের ভাষাও
ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু শব্দ কেবল স্লোগান নয়, যুগের চেতনা ও সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে। “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” তেমনই এক উচ্চারণ—যার ভেতরে আছে বিপ্লবের স্বপ্ন, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, আবার
তাহরিমা জান্নাত সুরভী, তাকে দুইদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তারপর সন্ধ্যায় ওই মিথ্যা মামলায় জামিন দেওয়া হয়। কিন্তু জামিনেই কি সব সমস্যা মিটে গেছে? আজকের আলাপে থাকছে সে বিষয়- বিপ্লবীদের অভিযোগ,
খালেদা জিয়ার মালিকানা কার?জিয়া পরিবারের? বিএনপির? বাংলাদেশের? নাকি সারা বিশ্বের?আসলে তিনি সবার। কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের জন্য তিনি সম্পদ।বিশ্ব খালেদা জিয়াকে সেভাবেই গ্রহণ করেছে। বিশ্ব নেতাদের কাছে তিনি একজন আপসহীন
শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার পর আবার আন্তর্জাতিক আলোচনায় উঠে এসেছে ভারতের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’। কেবল বাংলাদেশে থেকেই নয়. এই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াতেও।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্রের দরজা খুলে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁকে হত্যার পর অনিশ্চিত দিকে যাত্রা করে গণতন্ত্র। পরে গণতন্ত্রের জন্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া। আর ফ্যাসিবাদের
আলাপ হচ্ছে ‘প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ নিয়ে। শরিফ ওসমান হাদি শহীদ হওয়ার পর এই আলাপ নতুন করে উঠে এসেছে। প্রভাবশালী এই দু’টি পত্রিকা অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে। কারা আগুন
ওসমান হাদিকে গুলি করার পর হয়রান হয়ে আসামিদের খুঁজছে পুলিশ। গোয়েন্দারা ব্যস্ত। আসামি ধরতে ইনকিলাব মঞ্চ’র নেতাদের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ চাইলেন তারা। এতটুকু কাজও নিজেরা গিয়ে করবেন না লাটবাহাদুর সাহেবরা।
তারেক রহমান, তিনি ফিরবেন? কবে ফিরবেন? নাকি ফিরবেন না? প্রশ্নটা আছে। সারাদেশ তাকিয়ে আছে খালেদা জিয়ার দিকে। তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন প্রায় সব দল ও মতের মানুষ। আল্লাহ তাঁকে
শুরুর দিকে অতোটা আশা করেনি জামায়াত। তখন বিরোধীদলে নিজেদের অবস্থান সংহত করতে মরিয়া ছিলো দলটি। কিন্তু এখন ভোটের মাঠে লড়াই করে যাচ্ছে সরকার গঠনের টার্গেট নিয়ে। জামায়াত কেন টার্গেট বদল