আন্তর্জাতিক আইন, কার জন্য কেমন? আইন যখন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যায় তখন ওয়াশিংটন কথা বলে মোলায়েম ভাষায়। সভ্য শব্দচয়ন করে তারা। কিন্তু সেই একই আইন যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অথবা ইসরাইলের বিরুদ্ধে
আন্তর্জাতিক আইন, কার জন্য কেমন? আইন যখন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যায় তখন ওয়াশিংটন কথা বলে মোলায়েম ভাষায়। সভ্য শব্দচয়ন করে তারা। কিন্তু সেই একই আইন যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অথবা ইসরাইলের বিরুদ্ধে
যুদ্ধক্ষেত্রের কঠিন বাস্তবতার সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখের কথার কোনো মিল নেই এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রেসিডেন্টের একের পর এক ভিত্তিহীন দাবি এখন এক চরম তামাশায় পরিণত হয়েছে। প্রতিবেদন তৈরি করেছেন
যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে যারা অশান্তি তৈরি করতে চায়, তরবারির আঘাতেই তাদের পতন নিশ্চিত। পশ্চিমা দুনিয়াকে এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান সের্গেই নারিশকিন বলেছেন, ইউক্রেনের পর এবার
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের একটি পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করতে গিয়ে আমেরিকার একজন প্রখ্যাত কৌশলবিদ এবং শীর্ষ বিশ্লেষক এই লড়াইকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘ঐতিহাসিক মাত্রার এক কৌশলগত বিপর্যয়’ হিসেবে
আন্তর্জাতিক রাজনীতি মানেই এখন ‘তেল’। আর তেল মানেই হরমুজ প্রণালী। এই প্রণালীতে ঝামেলার অর্থ তেলের সরবরাহে ভজঘট। আর হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে। পেন্টাগন নয়, হরমুজ প্রণালীই নির্ধারণ করছে উপসাগরীয় অঞ্চলের
লন্ডনভিত্তিক সংবাদপত্র আল-কুদস আল-আরবি বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা ইরান জানিয়েছে, আরব্য রজনীর সেই বিখ্যাত নাবিক সিন্দাবাদ যেমন এক বুড়ো দৈত্যকে দয়া করে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন, কিন্তু পরে সেই দানব
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইলি আধিপত্যের যমদূত হয়ে নেমেছে ইরানের বিশেষ ডুবোজাহাজ বহর। দেশটির নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, সমুদ্রের নীল
সুকুমার রায়ের ‘হ য ব র ল’-এ কাক্কেশ্বর কুচকুচে স্লেট-পেন্সিল নিয়ে অঙ্ক কষতে বসে বলেছিল— “সাত দুগুণে চোদ্দোর নামল চার, হাতে রইল পেন্সিল!” ইরান বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধের
ইরানের সাথে আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হয়েছে মাত্র দুই মাস, কিন্তু এরই মধ্যে এর ধাক্কায় কাঁপছে গোটা বিশ্ব। ইরানের সংবাদ মাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ রিপোর্টে
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত হিসাবের খাতাটা উল্টে গেছে। দীর্ঘ ৪১ দিনের এক রক্তক্ষয়ী আর চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পর এখন সারা বিশ্বের সামনে একটা বিষয় পরিষ্কার—এই লড়াইয়ে ইরান আর তার মিত্ররা