অগাস্ট এলেই আনন্দ-ঢেউ মনেসুখের আবেশ জাগে ক্ষণে ক্ষণে। অগাস্ট মানেই স্বাধীনতার মাসসব শহরে বিজয়ের উল্লাস। পঁচাত্তরে স্বৈরাচারীর পিতা—খতম হলো, তাধিন ধিতা ধিতা। চব্বিশ সালে তরুণেরা জাগেগাট্টি নিয়ে শেখ হাসিনা ভাগে।
অগাস্ট এলেই আনন্দ-ঢেউ মনেসুখের আবেশ জাগে ক্ষণে ক্ষণে। অগাস্ট মানেই স্বাধীনতার মাসসব শহরে বিজয়ের উল্লাস। পঁচাত্তরে স্বৈরাচারীর পিতা—খতম হলো, তাধিন ধিতা ধিতা। চব্বিশ সালে তরুণেরা জাগেগাট্টি নিয়ে শেখ হাসিনা ভাগে।
জুলাই জুড়ে দ্রোহছাড়ল সবাই মোহ ফুল, পাখি আর লতাআনবে স্বাধীনতা রক্তজবার লালেহৃদয়টা মাখালে উঠল বুকে ঝড়বলল, গুলি কর অগাস্ট এল শেষেরক্তসাগর ভেসে পাঁচ তারিখে সুখআনন্দ উৎসুক।
অগাস্ট মানে বিজয়ী মাসবিপ্লবীদের পুণ্য সময়স্বৈরশাসক মুজিব এবংতার কন্যার ক্ষুণ্ন সময়।অগাস্ট মানে দ্রোহের আগুনফ্যাসিবাদের পতন সময়উল্টে গেল তাদের গদিআনন্দ-সুখ মতন সময়।অগাস্ট মানে হেলিকপ্টারখিড়কি দিয়ে জালিম পালায়মুজিববাদের চেলা-চামুণ্ডডুবে গেল ডোবায়-নালায়।অগাস্ট মানে
আল মাহমুদের ‘ঊনসত্তরের ছড়া’ অবলম্বনে ট্রাক! ট্রাক! ট্রাক!হবিগঞ্জে ট্রাক পড়েছেখবর শুনে রাখ।কেনো শুনব খবর-টবর,গুনব কেনো মিল? নাহিদ গেছে মিছিল নিয়ে,ফিরবে সে মিছিল। ট্রাক! ট্রাক! ট্রাক!ট্রাকের চাকা ঘুরিয়ে দিতে আবু সাঈদ
দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার প্রতি সংহতি জানায়া হিন্দুস্তানিতে (হিন্দি/উর্দুতে) এই কবিতা ইয়ে বাগাওয়াত কি শেহের হ্যায় ফির ও ইতিহাস দিখায়েংগেহাম তারিখ কে উসুল পার তুম কো ভি ওহি সাবাক শিখায়েংগে।হাম
শুনতে পেলাম দুপ্পুরেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেআরিচা ঘাট পার কইরাপাঠাই দিবো রূপপুরে! এইটা শুইনা কানে কানেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেকি জানি কি শলা দিছেতাহার পিসি-ফুপ্পুরে! এরই মাঝে খানসামারারাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেস্যুপ দিলে তা খেতে উল্টাজিভের তাপে স্যুপ পুড়ে!
দিল্লিতে ককরোচযন্তর মন্তরথরথর ভয়ে কাঁপেমোদিজির অন্তর। টিয়ারের শেল মারেঝাঁঝালো কী ধূম্র!লাঠি হাতে পুলিশেরাপট্টাশ কুমড়ো। ইনকিলাবের স্বরছড়ালো কি ছোঁয়াচে?জোয়ারটা থামাবেইকার বলো জো আছে। তিলচটা পোলাপানকী দারুণ রাগছে!ভারতেও তবে কি গোফ্যাসিবাদ ভাগছে?
আষাঢ়ের মেঘ দেখোভাসে ওই আকাশেবৃষ্টির সংবাদেজলরঙে আঁকা সে। মাঝে মাঝে রোদ ওঠেপ্রকৃতির ছন্দেরুশদার মন তাতেপড়ে যায় দ্বন্দ্বে। গাছপালা ভিজে যায়পশুপাখি সিক্তবৃষ্টিটা বেশি হলেহয় তারা তিক্ত। ডালে ডালে পাকা জামকাঁঠালের সৌরভবনজুড়ে
বিশ্বকাপেদৃশ্য কাঁপেএবং আরোগ্রীষ্ম কাঁপে। পায়ের বলেপা-এর বলেকিক লেগে ‘গোল’যা এর তলে। বারের জালেহারের তালেবল ঢুকেছেআর এর তালে- নাচছে কতহর্ষকেরাবিশ্বকাপেরদর্শক এরা।
আবদুল মালেকের মন খুব বেজার। দাঁড়িয়ে আছে নয়া সড়কের মোড়ে, জামগাছ তলায়। সামনে একটা চকির ওপর ওর দোকানের মালপত্র গাদা করে রাখা। লণ্ডভণ্ড অবস্থা। পেছনে দোকান ঘরটা খাঁ খাঁ করছে।






