পদ্মার উত্তরে একটাই শাখানদী, নাম বড়াল। আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে নদীতে পানি ভালোই ছিলো। নৌকা চলতো। নদীতে গোসল করতে আসতো মানুষ। আড়ানী স্টেশনের পাশ দিয়ে চলে গেছে যে পথ,
পদ্মার উত্তরে একটাই শাখানদী, নাম বড়াল। আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে নদীতে পানি ভালোই ছিলো। নৌকা চলতো। নদীতে গোসল করতে আসতো মানুষ। আড়ানী স্টেশনের পাশ দিয়ে চলে গেছে যে পথ,
আসুক তারেক হাসুক আরেক ডিসেম্ববরের দিন চলবে সবাই বলবে সবাই- লিডার সালাম নিন। সালাম নিয়ে পাল্টা সালাম তিনিও দেবেন ফের তার আগমন ছড়িয়ে দিক এবার খুশি ঢের। চোদ্দ বছর রামের
খায় প্রতিদিন বিড়ি সেই সাথে তিন্তিড়ী দন্ততে শিরশির পোকা নাকি কিলবিল দিয়ে যায় কিল-টিল মন্ত্রতে বিড়বিড়। ভাবসাবে গৌড়ীয় নেয় টাকা কৌড়িও পান টান খায় এসে ঠ্যাং তুলে উপরে গরমের দুপরে
ঈশা খান থেকে তিতুমীর আরআবরার হয়ে হাদিআাজাদির ডাকে ইতিহাসে দ্যাখোযুগে যুগে প্রতিবাদি (২)!! রক্তে আগুনে প্রতিরোধ লেখালড়েই এঁকেছি বিজয়ের রেখা (২)রাজপুত গোরা খান গেরুয়াআমরা তো সব কাকতেড়ুয়াস্বাধীনতা মূলে জেদি।।আজাদির ডাকে
ওসমান হাদিরা কখনো মরে নাশাহাদাতের তামান্নায় তৃষ্ণার্ত তাদের হৃদয়তারা ভয়হীন, দ্বিধাহীন, নির্ভার, নিঃশঙ্ক! নিঃসংকোচে কবুল করে শহীদি জীবনমৃত্যু তাদের অমীয় শরাব!তারা কখনও মরে না!মাতৃগর্ভ থেকে যারা শহীদি তৃষ্ণায় পা রাখে
আমায় ছিঁড়ে খাও হে শকুনহে সীমান্তের শকুনএক্ষুনি ছিঁড়ে খাও আমাকেহে আটলান্টিকের ঈগলশিগগির খুবলে খাও আমাকেহে বৈকাল হ্রদের বাজআঁচড়ে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করো আমাকে।আমার রক্তরসে শুধু অসহায়ত্ব আর অভাব;কাগজের কামলারা তারে আদর
শেষ যে কবে কেঁদেছিলামএখন সেটা স্মরণ নাই,অশ্রু দিয়েই লিখছি তো আজঅমর হাদির মরন নাই!
ওসমান! ওসমান!আমাদের হাদিসাহসের এক নামএই থেকে আদিবদরের থেকে শুরুযেই সংগ্রামআজাদীর সেই নেতাহাদিকে সালাম।
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সম্মানিত নাম মায়ের মতো মুখটা তাঁর হৃদয়ে রাখলাম। মাবুদ তুমি রহম করো মাকে সুস্থ করে দাও না তুমি তাঁকে। খালেদা জিয়া আপোষহীনা প্রাণের চেয়ে প্রাণ তাঁর জন্য
আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ, পাকা জামের মধুর রসে রঙিন করি মুখ। আবৃত্তি করেছে