ইসরাইলের দম্ভ মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে হিজবুল্লাহর ছোট ছোট ড্রোন। তেল আবিব এতদিন তাদের অ্যারো মিসাইল সিস্টেম আর এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান নিয়ে যে আস্ফালন করত, লেবানন সীমান্তের লড়াইয়ে তা এখন স্রেফ
ইসরাইলের দম্ভ মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে হিজবুল্লাহর ছোট ছোট ড্রোন। তেল আবিব এতদিন তাদের অ্যারো মিসাইল সিস্টেম আর এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান নিয়ে যে আস্ফালন করত, লেবানন সীমান্তের লড়াইয়ে তা এখন স্রেফ
ইরানের সাথে আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হয়েছে মাত্র দুই মাস, কিন্তু এরই মধ্যে এর ধাক্কায় কাঁপছে গোটা বিশ্ব। ইরানের সংবাদ মাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ রিপোর্টে
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত হিসাবের খাতাটা উল্টে গেছে। দীর্ঘ ৪১ দিনের এক রক্তক্ষয়ী আর চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পর এখন সারা বিশ্বের সামনে একটা বিষয় পরিষ্কার—এই লড়াইয়ে ইরান আর তার মিত্ররা
অক্টোবরের দশ তারিখ যুদ্ধবিরতি হয়েছে গাজায়। কিন্তু এই বিরতিকে কেবল একটা বিভ্রম বলে এক লেখায় উল্লেখ করেছেন লিবিয়ার সাংবাদিক মোস্তফা ফেতুরি। তার লেখাটি প্রকাশ করেছে মিডলইস্ট মনিটর। তিনি লিখেছেন, গাজায়
গত কয়েকটা এপিসোডে ইসরাইলের ভেতরের খবরগুলো নিয়ে আপনাদের সাথে আলাপ করেছি। কারণ, সেই খবরগুলো গণমাধ্যমে তেমনভাবে উঠে আসে না। যুদ্ধে ইরানের ক্ষতি কেমন হচ্ছে, ইরান ধূলোয় মিশে যাচ্ছে কি না,
ছয় সপ্তাহের অব্যাহত মার্কিন ও ইসরাইল অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক সক্ষমতা বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। তারপরও প্রায় ৫০ বছরের অভিজ্ঞতায় গড়ে তোলা ইরানের রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক শক্তি এখনো পুরোপুরি
পোপকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, নিজেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে যিশু খ্রিস্টের আদলে উপস্থাপন এবং ইরানের পক্ষ থেকে ছড়িয়ে পড়া একটি বিতর্কিত ভিডিও নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে এখন বিধ্বংসী টর্নেডো বইছে। ইরানের সংবাদ মাধ্যম
ইরানের ওপর চালানো বর্বরোচিত হামলা এবং রমজান যুদ্ধে শোচনীয় পরাজয়ের পর আলোচনার টেবিলে নিজেদের হারানো মাঠ ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে আমেরিকা। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার নতুন
‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ করে, নলখাগড়ার প্রাণ মরে’—বহু পুরনো এই বাংলা প্রবাদটি আজ এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে নিষ্ঠুর বাস্তব হয়ে ধরা দিয়েছে। কোনো উসকানি ছাড়াই আমেরিকা ও ইসরাইল তাদের সর্বশক্তি নিয়ে ইরানের
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য চারটা প্রস্তাব দিয়েছে চীন। মঙ্গলবার দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৈঠক করেছেন আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সাথে। এই বৈঠকেই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি