চাপাইনবাবগঞ্জের কানসাট, এখানে সূর্য উঠে আমপাতার ফাঁক গলে। তারপর জেগে উঠতে থাকে জনপদ। কানসাট জেগে উঠে। সেইসাথে জেগে উঠে স্থানীয়দের স্বপ্ন। শুরু হয় দিন। কানসাটে সারাটা দিন থাকে আম নিয়ে ব্যস্ততা- গাছ থেকে আম পাড়া, হাটে নিয়ে যাওয়া। তারপর বেচা-বিক্রি করা। প্রতিবেদন তৈরি করেছেন আমিনুল ইসলাম

সরাসরি বাগান থেকে আম কিনতে অথবা হাট থেকে দেখে-শুনে আম নিতে কানসাটে আসেন অনেকেই। কেউ কেউ আসেন আমের ব্যবসা করতে। রাজশাহী পেরিয়ে কানসাটের দূরত্ব যত কমতে থাকে, তত কড়া হয়ে নাকে এসে ঠেকে আমের ঘ্রাণ। এই ঘ্রাণ পেরিয়েই যেতে হয় কানসাট হাটে। এই হাট কেবল হাট নয়, এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাত কিংবা ফজলি —গাছের ডালে ডালে ঝুলতে থাকা একেকটা আম যেন চাষিদের সন্তান। মমতায় বড় করে তোলা এই আমগুলোর বিদায়বেলা চলছে।
আমের আনুষ্ঠানিক বিদায় হয় এই কানসাট থেকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট হলো এশিয়ার বড় আমের হাট।
বছরের এই মৌসুমে কানসাট চাঙ্গা থাকে, মুখর থাকে। আম ফুরিয়ে গেলে আবার নীরব হয় এই চত্বর।