
দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটছে কিশোরগঞ্জের হাওরে। গত ৭ জুলাই ডাকাতি হয়েছে শিশুর লাশবাহী নৌকাতেও। এই পরিস্থিতিতে বিকাল সাড়ে পাঁচটার পর হাওরে নৌ চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। তবে প্রশাসনের এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন হাওর এলাকা (কিশোরগঞ্জ-৪ আসন) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
শনিবার বিকালে ঢাকা থেকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন- মাথাব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়।
রবিবার দুপুরে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেন কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম। সভায় উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে নিশ্চয়ই ডাকাতদের তালিকা আছে। এর ভিত্তিতে সঁড়াশি অভিযান চালানো হলে ডাকাতরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে।’
আগামী ১৬ জুলাই সংসদ অধিবেশন শেষে এলাকায় গিয়ে ডাকাতদের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করবেন বলে ভিডিও বার্তায় ঘোষণা দিয়েছেন ফজলুর রহমান।
গত ৭ জুলাই রাতে করিমগঞ্জের সুতারপাড়ার হাওরে একটি লাশবাহী নৌকায় হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে ডাকাতরা। এর পরদিনই ৮ জুলাই ইটনার বাদলার হাওরে ব্যবসায়ীদের আরেকটি নৌকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এরপরই পুলিশ সুপারের নির্দেশে ঝুঁকিপূর্ণ জলপথে বিশেষ নৌ-টহলের ব্যবস্থা করা হয়। বিকাল সাড়ে পাঁচটার পর নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।
-ইনফোজা প্রতিবেদন