বিশ্বকাপ ফুটবলে বরাবরই কিছু প্রেডিকশন থাকে। সাধারণ যুক্তি ও ফুটবলীয় বিশ্লেষণকে ছাড়িয়ে যায় এসব প্রেডিকশন। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সামনে এসেছে রোমাঞ্চকর এক সমীকরণ। এই সমীকরণ ঠিক থাকলে এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হচ্ছে নরওয়ে। পড়ুন ইনফোজা প্রতিবেদন-

অবিশ্বাস্য এই সমীকরণের পেছনে আছে ফুটবলে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান। বিশ্বকাপের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, নকআউট পর্বে জাপানকে যে দলই হারিয়েছে, সেই দলকে বিদায় করে শেষ পর্যন্ত অন্য একটি দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় তুলেছে।
২০০২ বিশ্বকাপে জাপানকে হারিয়েছিল তুরস্ক, আর সেই তুরস্ককে সেমিফাইনালে বিদায় করে চ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল। ২০১০ সালে জাপানকে হারানো প্যারাগুয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে রুখে দিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ ঘরে তোলে স্পেন। ২০০৬ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে জাপান নকআউট পর্বেই উঠতে পারেনি। গ্রুপ স্টেজ থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। ২০১৮ সালে বেলজিয়াম জাপানকে হারিয়ে দিলেও সেমিফাইনালে তাদের বিদায় করে চ্যাম্পিয়ন হয় ফ্রান্স। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে জাপানকে টাইব্রেকারে হারায় ক্রোয়েশিয়া। সেমিফাইনালে সেই ক্রোয়েশিয়াকে গুঁড়িয়ে দিয়ে বিশ্বজয় করেন লিওনেল মেসিরা।
সেই চেনা ছক যে এবারও ঘুরে আসবে না, সেটা কি বলা যায়! এবারের আসরে গ্রুপ পর্ব পার হয়ে নকআউট পর্বের প্রথম ধাপে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়েছিল জাপান। গত ২৯ জুনের সেই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্লু সামুরাইরা।
পুরো বিশ্বকাপে জাপানের হার কেবল এই এক ম্যাচেই। আর এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই জেগে উঠেছে পুরনো সমীকরণ।
‘জাপান-বধ’ সমীকরণের পরের শিকার হয়েছে ব্রাজিল। গত ৫ জুলাই নরওয়ের মুখোমুখি হয়েছিলো সেলেসাওরা। নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় ব্রাজিল।
ব্রাজিলের এই বিদায়ের পর ‘জাপান-বধ’ সমীকরণ কী বলছে?
তাহলে কি এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছে নরওয়ে?
সমীকরণ যদি সত্যি হয়, নরওয়েই এখন ট্রফি নেওয়ার দাবিদার। তাছাড়া এবার দুর্দান্ত ফর্মে আছে দলটি। গ্রুপ পর্বে ফ্রান্সের কাছে ৪-১ ব্যবধানে হারার পর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নরওয়েকে। তবে এখনো বাকি আছে দুর্গম গিরি, কান্তার মরু…