শুনতে পেলাম দুপ্পুরেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেআরিচা ঘাট পার কইরাপাঠাই দিবো রূপপুরে! এইটা শুইনা কানে কানেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেকি জানি কি শলা দিছেতাহার পিসি-ফুপ্পুরে! এরই মাঝে খানসামারারাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেস্যুপ দিলে তা খেতে উল্টাজিভের তাপে স্যুপ পুড়ে!
শুনতে পেলাম দুপ্পুরেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেআরিচা ঘাট পার কইরাপাঠাই দিবো রূপপুরে! এইটা শুইনা কানে কানেরাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেকি জানি কি শলা দিছেতাহার পিসি-ফুপ্পুরে! এরই মাঝে খানসামারারাষ্ট্রপতি চুপ্পুরেস্যুপ দিলে তা খেতে উল্টাজিভের তাপে স্যুপ পুড়ে!
দিল্লিতে ককরোচযন্তর মন্তরথরথর ভয়ে কাঁপেমোদিজির অন্তর। টিয়ারের শেল মারেঝাঁঝালো কী ধূম্র!লাঠি হাতে পুলিশেরাপট্টাশ কুমড়ো। ইনকিলাবের স্বরছড়ালো কি ছোঁয়াচে?জোয়ারটা থামাবেইকার বলো জো আছে। তিলচটা পোলাপানকী দারুণ রাগছে!ভারতেও তবে কি গোফ্যাসিবাদ ভাগছে?
আষাঢ়ের মেঘ দেখোভাসে ওই আকাশেবৃষ্টির সংবাদেজলরঙে আঁকা সে। মাঝে মাঝে রোদ ওঠেপ্রকৃতির ছন্দেরুশদার মন তাতেপড়ে যায় দ্বন্দ্বে। গাছপালা ভিজে যায়পশুপাখি সিক্তবৃষ্টিটা বেশি হলেহয় তারা তিক্ত। ডালে ডালে পাকা জামকাঁঠালের সৌরভবনজুড়ে
বিশ্বকাপেদৃশ্য কাঁপেএবং আরোগ্রীষ্ম কাঁপে। পায়ের বলেপা-এর বলেকিক লেগে ‘গোল’যা এর তলে। বারের জালেহারের তালেবল ঢুকেছেআর এর তালে- নাচছে কতহর্ষকেরাবিশ্বকাপেরদর্শক এরা।
রমজানে সংযম তারপরে ঈদখুশির রাজার বুঝি ভেঙে গেল নিদ। রহমত ক্ষমা আর নাজাতের পরপশ্চিম আসমানে আলোর পশর। ঈদ এলো ঈদ এলো পৃথিবীতে ঢেউখুশির জানান হলো বাকি নেই কেউ। এই দিনে
আপনি ছিলেন সাহসের বাতিঘরসার্বভৌম বাংলাদেশের স্বর।ধানের শীষের শীর্ষের সেই ফুলভারত শাসানো তর্জনী আঙ্গুল।স্বাধীন পতাকা হাতে ছিল উড্ডীনকাঁপেননি ভয়ে বাজিয়ে গেছেন বীণ।কী মায়া মুখ! মায়ের মতন মুখ!!আপনি ছিলেন বাংলাদেশের সুখ।মাঠ ভরা
কাঠবিড়ালি! কাঠবিড়ালি!একটু হেঁটে ফের জিরালি।লেজ উঁচিয়ে দৌড়ে পালাসকুল-পেয়ারা করলি তালাশ।তোর লাফানো দেখছে খুকিআম খেতে চাস? নিস না ঝুঁকি।ডাবের গায়ে নখের আঁচড়আমড়া গাছে চড়বি? যা, চড়।তুই তো দেখি দুষ্টু ভারিকামড়ে পাড়িস
আসুক তারেক হাসুক আরেক ডিসেম্ববরের দিন চলবে সবাই বলবে সবাই- লিডার সালাম নিন। সালাম নিয়ে পাল্টা সালাম তিনিও দেবেন ফের তার আগমন ছড়িয়ে দিক এবার খুশি ঢের। চোদ্দ বছর রামের
খায় প্রতিদিন বিড়ি সেই সাথে তিন্তিড়ী দন্ততে শিরশির পোকা নাকি কিলবিল দিয়ে যায় কিল-টিল মন্ত্রতে বিড়বিড়। ভাবসাবে গৌড়ীয় নেয় টাকা কৌড়িও পান টান খায় এসে ঠ্যাং তুলে উপরে গরমের দুপরে
শেষ যে কবে কেঁদেছিলামএখন সেটা স্মরণ নাই,অশ্রু দিয়েই লিখছি তো আজঅমর হাদির মরন নাই!