আবদুল মালেকের মন খুব বেজার। দাঁড়িয়ে আছে নয়া সড়কের মোড়ে, জামগাছ তলায়। সামনে একটা চকির ওপর ওর দোকানের মালপত্র গাদা করে রাখা। লণ্ডভণ্ড অবস্থা। পেছনে দোকান ঘরটা খাঁ খাঁ করছে।
আবদুল মালেকের মন খুব বেজার। দাঁড়িয়ে আছে নয়া সড়কের মোড়ে, জামগাছ তলায়। সামনে একটা চকির ওপর ওর দোকানের মালপত্র গাদা করে রাখা। লণ্ডভণ্ড অবস্থা। পেছনে দোকান ঘরটা খাঁ খাঁ করছে।
রমজানে সংযম তারপরে ঈদখুশির রাজার বুঝি ভেঙে গেল নিদ। রহমত ক্ষমা আর নাজাতের পরপশ্চিম আসমানে আলোর পশর। ঈদ এলো ঈদ এলো পৃথিবীতে ঢেউখুশির জানান হলো বাকি নেই কেউ। এই দিনে
শুনো একটা মজার গল্প বলি।ওইদিন বাবার বন্ধুদের একটা জমকালো অনুষ্ঠান ছিলো।আবার ওইদিন রাইয়ানরা আমাদের গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা। আমাকেও যেতে বলেছিলো।রাইয়ান আমার কাকা হয়। কিন্তু বয়সে আমার চাইতেও ছোট। পিচ্চি
আপনি ছিলেন সাহসের বাতিঘরসার্বভৌম বাংলাদেশের স্বর।ধানের শীষের শীর্ষের সেই ফুলভারত শাসানো তর্জনী আঙ্গুল।স্বাধীন পতাকা হাতে ছিল উড্ডীনকাঁপেননি ভয়ে বাজিয়ে গেছেন বীণ।কী মায়া মুখ! মায়ের মতন মুখ!!আপনি ছিলেন বাংলাদেশের সুখ।মাঠ ভরা
কাঠবিড়ালি! কাঠবিড়ালি!একটু হেঁটে ফের জিরালি।লেজ উঁচিয়ে দৌড়ে পালাসকুল-পেয়ারা করলি তালাশ।তোর লাফানো দেখছে খুকিআম খেতে চাস? নিস না ঝুঁকি।ডাবের গায়ে নখের আঁচড়আমড়া গাছে চড়বি? যা, চড়।তুই তো দেখি দুষ্টু ভারিকামড়ে পাড়িস
পদ্মার উত্তরে একটাই শাখানদী, নাম বড়াল। আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে নদীতে পানি ভালোই ছিলো। নৌকা চলতো। নদীতে গোসল করতে আসতো মানুষ। আড়ানী স্টেশনের পাশ দিয়ে চলে গেছে যে পথ,
আসুক তারেক হাসুক আরেক ডিসেম্ববরের দিন চলবে সবাই বলবে সবাই- লিডার সালাম নিন। সালাম নিয়ে পাল্টা সালাম তিনিও দেবেন ফের তার আগমন ছড়িয়ে দিক এবার খুশি ঢের। চোদ্দ বছর রামের
খায় প্রতিদিন বিড়ি সেই সাথে তিন্তিড়ী দন্ততে শিরশির পোকা নাকি কিলবিল দিয়ে যায় কিল-টিল মন্ত্রতে বিড়বিড়। ভাবসাবে গৌড়ীয় নেয় টাকা কৌড়িও পান টান খায় এসে ঠ্যাং তুলে উপরে গরমের দুপরে
ঈশা খান থেকে তিতুমীর আরআবরার হয়ে হাদিআাজাদির ডাকে ইতিহাসে দ্যাখোযুগে যুগে প্রতিবাদি (২)!! রক্তে আগুনে প্রতিরোধ লেখালড়েই এঁকেছি বিজয়ের রেখা (২)রাজপুত গোরা খান গেরুয়াআমরা তো সব কাকতেড়ুয়াস্বাধীনতা মূলে জেদি।।আজাদির ডাকে
ওসমান হাদিরা কখনো মরে নাশাহাদাতের তামান্নায় তৃষ্ণার্ত তাদের হৃদয়তারা ভয়হীন, দ্বিধাহীন, নির্ভার, নিঃশঙ্ক! নিঃসংকোচে কবুল করে শহীদি জীবনমৃত্যু তাদের অমীয় শরাব!তারা কখনও মরে না!মাতৃগর্ভ থেকে যারা শহীদি তৃষ্ণায় পা রাখে