বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইলি আধিপত্যের যমদূত হয়ে নেমেছে ইরানের বিশেষ ডুবোজাহাজ বহর। দেশটির নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, সমুদ্রের নীল
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইলি আধিপত্যের যমদূত হয়ে নেমেছে ইরানের বিশেষ ডুবোজাহাজ বহর। দেশটির নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, সমুদ্রের নীল
মার্শাল আর্ট বা কুং ফু-কারাতের ময়দানে একটা দারুণ কৌশল আছে। একজন দক্ষ যোদ্ধা কখনোই তেড়ে আসা শত্রুর শক্তির সাথে নিজের শক্তির টক্কর দিতে যান না, বরং শত্রুর গায়ের জোরকেই তার
দক্ষিণ লেবাননের পাহাড়ি উপত্যকায় এখন এক অদ্ভুত লড়াই চলছে। একদিকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে ঠাসা মার্কিন মদতপুষ্ট ইসরাইল সেনাবাহিনী, আর অন্যদিকে হিজবুল্লাহর লড়াকু বাহিনী। কিন্তু এই লড়াইয়ে হিজবুল্লাহ এমন এক চাল চেলেছে,
ইরানের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার মাশুল দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আর সেই অংকটা এখন রীতিমতো আকাশছোঁয়া। রুশ বার্তা সংস্থা রিয়া নভোস্তি এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে জানিয়েছে, ইরানের সাথে এই রেষারেষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
সুকুমার রায়ের ‘হ য ব র ল’-এ কাক্কেশ্বর কুচকুচে স্লেট-পেন্সিল নিয়ে অঙ্ক কষতে বসে বলেছিল— “সাত দুগুণে চোদ্দোর নামল চার, হাতে রইল পেন্সিল!” ইরান বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধের
ইসরাইলের দম্ভ মাটির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে হিজবুল্লাহর ছোট ছোট ড্রোন। তেল আবিব এতদিন তাদের অ্যারো মিসাইল সিস্টেম আর এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান নিয়ে যে আস্ফালন করত, লেবানন সীমান্তের লড়াইয়ে তা এখন স্রেফ
ইরানের সাথে আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হয়েছে মাত্র দুই মাস, কিন্তু এরই মধ্যে এর ধাক্কায় কাঁপছে গোটা বিশ্ব। ইরানের সংবাদ মাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ রিপোর্টে
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত হিসাবের খাতাটা উল্টে গেছে। দীর্ঘ ৪১ দিনের এক রক্তক্ষয়ী আর চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পর এখন সারা বিশ্বের সামনে একটা বিষয় পরিষ্কার—এই লড়াইয়ে ইরান আর তার মিত্ররা
অক্টোবরের দশ তারিখ যুদ্ধবিরতি হয়েছে গাজায়। কিন্তু এই বিরতিকে কেবল একটা বিভ্রম বলে এক লেখায় উল্লেখ করেছেন লিবিয়ার সাংবাদিক মোস্তফা ফেতুরি। তার লেখাটি প্রকাশ করেছে মিডলইস্ট মনিটর। তিনি লিখেছেন, গাজায়
ছয় সপ্তাহের অব্যাহত মার্কিন ও ইসরাইল অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক সক্ষমতা বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। তারপরও প্রায় ৫০ বছরের অভিজ্ঞতায় গড়ে তোলা ইরানের রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক শক্তি এখনো পুরোপুরি