‘জুলাই সনদের কোনো সাংবিধানিক আইনি ভিত্তি নেই, এটা বিপ্লবীদের সাথে সহীহ তরিকার প্রতারণা,’ এতটুকু লিখে প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে দাঁড়িয়ে যেতে দেখা গেছে সেই আয়রনম্যানকে। তার শরীরে ঝুলে আছে আরো একটি প্ল্যাকার্ড। এতে লেখা- ‘এটা ক্ষমতার সাথে আপোষের বিনিময়ে ৩৬ জুলাই শহিদদের রক্ত বিক্রয় কেন্দ্র।’
দশাসই শরীর আর শক্ত চেহারার এই আয়রনম্যানের নাম শামিম হাসান। এর আগে তাকে দেখা গিয়েছিলো গোপালগঞ্জে। ওই জেলায় এনসিপির সমাবেশে হামলা করেছিলো আওয়ামী লীগ কর্মীরা। তখন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।
এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শামিমকে নিয়ে তৈরি হয় কৌতুহল। অনেকেই খুঁজতে থাকেন, কে এই আয়রনম্যান। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও আসতে দেখা যায় তাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনের পর ভিপি সাদিক কায়েমের সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন, এই ভিডিওটিও ভাইরাল হয়।
জানা গেছে, শামিম হাসান পুলিশে চাকরি করতেন। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ ও র্যাব-১০-এ দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতাও আছে তার। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২০২০ সালে শেখ হাসিনা সরকার অবৈধভাবে তাকে চাকরি থেকে বের করে দেয়। চারমাস কারাগারে কাটাতে হয়। রিমান্ডের নামে নির্যাতনও করা হয়। জামায়াতে ইসলামীর ট্যাগ দিয়ে পুলিশ লাইনে দুইমাস বন্দি করে রাখা হয় তাকে।
এরপর থেকেই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন বলে জানিয়েছেন শামিম হাসান।
শামিম হাসান নতুন যেসব কথা বলেছেন, দেখুন ভিডিওতে।