বিশ্বকাপেদৃশ্য কাঁপেএবং আরোগ্রীষ্ম কাঁপে। পায়ের বলেপা-এর বলেকিক লেগে ‘গোল’যা এর তলে। বারের জালেহারের তালেবল ঢুকেছেআর এর তালে- নাচছে কতহর্ষকেরাবিশ্বকাপেরদর্শক এরা।
বিশ্বকাপেদৃশ্য কাঁপেএবং আরোগ্রীষ্ম কাঁপে। পায়ের বলেপা-এর বলেকিক লেগে ‘গোল’যা এর তলে। বারের জালেহারের তালেবল ঢুকেছেআর এর তালে- নাচছে কতহর্ষকেরাবিশ্বকাপেরদর্শক এরা।
রমজানে সংযম তারপরে ঈদখুশির রাজার বুঝি ভেঙে গেল নিদ। রহমত ক্ষমা আর নাজাতের পরপশ্চিম আসমানে আলোর পশর। ঈদ এলো ঈদ এলো পৃথিবীতে ঢেউখুশির জানান হলো বাকি নেই কেউ। এই দিনে
আপনি ছিলেন সাহসের বাতিঘরসার্বভৌম বাংলাদেশের স্বর।ধানের শীষের শীর্ষের সেই ফুলভারত শাসানো তর্জনী আঙ্গুল।স্বাধীন পতাকা হাতে ছিল উড্ডীনকাঁপেননি ভয়ে বাজিয়ে গেছেন বীণ।কী মায়া মুখ! মায়ের মতন মুখ!!আপনি ছিলেন বাংলাদেশের সুখ।মাঠ ভরা
কাঠবিড়ালি! কাঠবিড়ালি!একটু হেঁটে ফের জিরালি।লেজ উঁচিয়ে দৌড়ে পালাসকুল-পেয়ারা করলি তালাশ।তোর লাফানো দেখছে খুকিআম খেতে চাস? নিস না ঝুঁকি।ডাবের গায়ে নখের আঁচড়আমড়া গাছে চড়বি? যা, চড়।তুই তো দেখি দুষ্টু ভারিকামড়ে পাড়িস
আসুক তারেক হাসুক আরেক ডিসেম্ববরের দিন চলবে সবাই বলবে সবাই- লিডার সালাম নিন। সালাম নিয়ে পাল্টা সালাম তিনিও দেবেন ফের তার আগমন ছড়িয়ে দিক এবার খুশি ঢের। চোদ্দ বছর রামের
খায় প্রতিদিন বিড়ি সেই সাথে তিন্তিড়ী দন্ততে শিরশির পোকা নাকি কিলবিল দিয়ে যায় কিল-টিল মন্ত্রতে বিড়বিড়। ভাবসাবে গৌড়ীয় নেয় টাকা কৌড়িও পান টান খায় এসে ঠ্যাং তুলে উপরে গরমের দুপরে
শেষ যে কবে কেঁদেছিলামএখন সেটা স্মরণ নাই,অশ্রু দিয়েই লিখছি তো আজঅমর হাদির মরন নাই!
ওসমান! ওসমান!আমাদের হাদিসাহসের এক নামএই থেকে আদিবদরের থেকে শুরুযেই সংগ্রামআজাদীর সেই নেতাহাদিকে সালাম।
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সম্মানিত নাম মায়ের মতো মুখটা তাঁর হৃদয়ে রাখলাম। মাবুদ তুমি রহম করো মাকে সুস্থ করে দাও না তুমি তাঁকে। খালেদা জিয়া আপোষহীনা প্রাণের চেয়ে প্রাণ তাঁর জন্য
আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ, পাকা জামের মধুর রসে রঙিন করি মুখ। আবৃত্তি করেছে